ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশও

যুদ্ধের দামামা বেজেই গেছে। তস্ত্র ভারত-পাকিস্তানের আমজনতা। হুঙ্কার, পাল্টা হুঙ্কার থেকে বোমাবাজি। দু’দেশের আকাশপথে উত্তেজনা বাড়ছেই। যুদ্ধবিমান ভূপাতিত ঘটানোর দাবি করছে দু’দেশই। হিংসার দাবানলে পুড়ছে কাশ্মীর।

কাশ্মীরের আগুন ছড়িয়ে ভারত-পাকিস্তানের ঘর পুড়েছে বহুবার। দুই দশক আগে কারগিল যুদ্ধও কাশ্মীরকে ঘিরে। পৃথিবীর ভূস্বর্গ বলে খ্যাত কাশ্মীরের জন্ম যেন যুদ্ধের ঘণ্টাধ্বনি শুনতেই। যে ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছে বিশ্ব। প্রকম্পিত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়া।

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তেজনায় উত্তেজিত থাকে বাংলাদেশও। ওই দেশ দুটির মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার অংশীদারত্বে বাংলাদেশের কোনো ভূমিকা না থাকলেও কোনো না কোনোভাবে এখানকার মানুষকে আলোড়িত করে।

ঐতিহাসিক, রাজনীতিক, সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও ভারত-পাকিস্তান নিয়ে বিভাজিত বাঙালি। যুদ্ধের ময়দান থেকে খেলার মাঠ পর্যন্ত এ বিভাজনের চিহ্ন লক্ষণীয়।

‘দেশ দুটি চূড়ান্ত যুদ্ধে লিপ্ত হলে বাংলাদেশে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে’ জানতে চাওয়া হয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের কাছে। এই বিশ্লেষক বলেন, ‘আপতত আপনাকে টেনশনের দিকটাই আমলে নিতে হবে। ভারত-পাকিস্তানের আঙ্গিনা পার হয়ে বাংলাদেশের মানুষের মাঝেও চিন্তা বাড়িয়েছে বর্তমান অবস্থা।’

pk

‘যদিও বহু আগে থেকেই এমন চিন্তায় অভ্যস্ত আমরা। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, আদৌও ভারত-পাকিস্তান চূড়ান্ত যুদ্ধে লিপ্ত হবে কি-না?’

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা নিয়ে দ্বিধা আছে। নরেন্দ্র মোদির কাছে আসন্ন নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি ঘটনা থেকে নির্বাচনে সুবিধা পাওয়ার নজির এ অঞ্চলে আছে। নির্বাচনই যদি গুরুত্ব পায়, তাহলে যুদ্ধের চূড়ান্ত রূপ ফিকে হয়ে যাবে। কারণ ভারত-পাকিস্তান কেউই এই মুহূর্তে যুদ্ধে জড়াতে চাইবে না। যুদ্ধের পরিণতি কারো জন্যই সুখের হবে না।’

পরিস্থিতি বেসামাল হলে কী ঘটতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে, ভারত ও পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এই অস্ত্র যেমন উত্তেজনা বাড়ায় তেমনি উত্তেজনা প্রশমিতও করে। টেনশন বাড়িয়ে যদি পরিস্থিতি বেসামাল হয় এবং পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয় তাহলে গোটা দক্ষিণ এশিয়াতেই ধ্বংসলীলা দেখা দেবে।’
‘বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশও। কারণ একটি যুদ্ধের প্রভাব শুধু নির্ধারিত জায়গাতেই আটকে থাকে না। আর ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ ভারত-পাকিস্তান দ্বারা কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত।’

‘তবে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার এমন পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষকেই সমর্থন করা ঠিক হবে না। এমনকী কূটনৈতিকভাবেও কোনো দেশের পক্ষে অবস্থান নেয়া ঠিক হবে না’- যোগ করেন এম সাখাওয়াত হোসেন।

pk

উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনীর গাড়িবহরে আত্মঘাতী হামলা হয়। এতে অন্তত ৪৯ জন জওয়ান নিহত হন।

পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করে। পুলওয়ামা হামলার জবাব দিতেই গত মঙ্গলবার ভোররাতে পাকিস্তানের ভেতরে অভিযান চালায় ভারতের বিমানবাহিনী। এরপর পাকিস্তানের বিমানবাহিনীও পাল্টা জবাব দিতে ভারতের সীমানায় প্রবেশ করে। জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত রেখায় এখনও গোলাগুলির ঘটনা চলছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে ১৯৪৭ সালে ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে তিনবার যুদ্ধেও জড়িয়েছে তারা। তবে ১৯৯৯ সালে ‘কার্গিল যুদ্ধের’ পর গত ২০ বছরে বড় সংঘাতের দিকে এগোয়নি ‘চিরবৈরী’ দেশ দুটি।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় মানুষদের মনে প্রশ্ন জেগেছে- আসলে কী ভাবছে দেশ দুটির সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানায়, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেছেন, ‘নতুন দিল্লি চায় না এই পরিস্থিতির আরও অবনতি হোক।’

একইভাবে পাকিস্তান পররাষ্ট্র দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘কাশ্মীর সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি চললেও সেই পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।’

pk

তবে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশেই চলছে উচ্চ-পর্যায়ের সামরিক ও বেসামরিক কর্তাব্যক্তিদের বৈঠক। সেসব বৈঠক থেকে আসছে দেশ রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়। দুই দেশেই রাজনৈতিক নেতারা দিয়ে যাচ্ছেন জ্বালাময়ী বক্তৃতা। তারা নিজ নিজ দেশের সরকারদের দিয়ে যাচ্ছেন পূর্ণ সমর্থন।

খবরে প্রকাশ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গতকাল বৈঠক করেছেন ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির সঙ্গে। এই অথরিটি দেশটির পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা রাখে। অন্যদিকে, ভারতীয় সামরিক বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পাকিস্তান বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ গতকাল দেশটির আকাশসীমা বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্যে বন্ধ করে দিয়েছে। ভারতও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবসহ দেশটির উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন শহরের বিমানবন্দরগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

বুধবারের উল্লেখযোগ্য খবর

ফের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশটির সেনা, বিমান, নৌসহ সব নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন >> আটক ভারতীয় পাইলটের ভিডিও প্রকাশ করল পাকিস্তান

পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি বিমান ভূপাতিত আর দুজন পাইলট আটক হওয়ার পর পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রকট আকার ধারণ করায় মোদির এই বৈঠক।

pk

গত মঙ্গলবার ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানে ঢুকে হামলা চালানোর পর বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি নিরাপত্তা প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিশেষ করে বিমানবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর থেকে জানা যায়।

অন্যদিকে, পাকিস্তান দাবি করছে, তারা ভারতের দুজন পাইলটকে আটক করেছে। আর পাইলটের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে দেশটির রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বেতার রেডিও পাকিস্তান থেকে। তবে প্রথমে এমন খবর উড়িয়ে দিলেও বুধবার সন্ধ্যার দিকে ভারতের পক্ষ থেকে একটি মিগ-২১ বিমান আর একজন পাইলট নিখোঁজ হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

যুদ্ধ শুরু হলে কারো হাতেই নিয়ন্ত্রণ থাকবে না : ইমরান

চলমান পাক-ভারত উত্তেজনার জেরে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, পৃথিবীতে যতগুলো বড় যুদ্ধ হয়েছে; তার সবগুলোই কার্যত ভুল হিসাব-নিকাশের ফল। তবে এই ভুল পথে না এগিয়ে পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দুই দেশের মাঝে শান্তি আলোচনায় বসা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন >> আকাশসীমায় জরুরি অবস্থা, বিমান চলাচল বন্ধ করল পাকিস্তান

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিগোষ্ঠী জয়েশ-ই-মোহাম্মদের ঘাঁটিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর অভিযানের জবাবে গতকাল ভারতীয় দুটি যুদ্ধবিমানে গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করার জেরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে যতগুলো বড় যুদ্ধ হয়েছে তার পেছনে ছিল ভুল হিসাব-নিকাশ। হিটলার কখনো ভাবেননি যে যুদ্ধ এত বছর ধরে চলবে। আমেরিকানরা কখনো কল্পনা করেননি যে, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানের যুদ্ধ দশকের পর দশক ধরে চলবে।

pk

ইমরান খান বলেন, আমাদের উভয় দেশের হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। সুতরাং আমাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। সংঘাত যদি শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ আমার হাতেও যেমন থাকবে না, তেমনই নরেন্দ্র মোদির হাতেও থাকবে না।

ইমরান বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় তিনি ভারতকে তদন্তকাজে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমরা ভারতের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাদের বলা হয়েছিল, যদি একতরফা কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়, তাহলে তার জবাব দিতে বাধ্য হবে পাকিস্তান; সেটা যাই হোক না কেন।

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় পাইলট

হাতে চায়ের কাপ। সেনাদের সঙ্গে গল্প করছেন। বলছেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনী খুব ভালোভাবে আমার যত্ন নিচ্ছে।’ পরস্পরের হামলার ঘটনায় পাকিস্তান যে ভারতীয় পাইলটকে আটক করে বলে জানিয়েছে তাকে একটি ভিডিওতে এভাবেই কথা বলতে দেখা যায়।

আরও পড়ুন >> ভারতের সব বিমানবন্দরে উচ্চ সতর্কতা

পাকিস্তানে আটক ভারতীয় ওই পাইলটের নাম অভিনন্দন। বর্তমানে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেফাজতে আছেন। পাকিস্তানের দৈনিক ডনের অনলাইনের প্রতিবেদনে সেই পাইলটকে উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, ভারতীয় বিমান বাহিনীর উয়িং কমান্ডার অভিনন্দন বলেন, ‘আমি এই ঘটনাটিকে রেকর্ডের কাতায় ফেলব আর আমি দেশে ফিরে যাওয়ার পরও আমার এমন বক্তব্য পরিবর্তন করবো না।’

অভিনন্দন বলেন, ‘পাকিস্তান সেনাবাহিনী বেশ ভালোভোবেই আমার সঙ্গে আচরণ করছে। তারা প্রত্যেকেই ভদ্র লোক। যে ক্যাপ্টেন আমাকে উদ্ধার করেছে তিনি থেকে শুরু করে সবাই যে আচরণ করেছে আমি আমার দেশের সেনাবাহিনীর কাছ থেকেও এমনটা প্রত্যাশা করি।’

pk

ভারত ও পাকিস্তানকে সংযত হওয়ার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

ভারত ও পাকিস্তানকে যেকোনো মূল্যে সংঘাত এড়িয়ে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিবৃতির মাধ্যেম এমন আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে মাইক পম্পেও বলেন, ‘গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চালানো অভিযান নিয়ে আমি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি তাকে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরপত্তা-সংক্রান্ত অংশীদারিত্বের অংশ হিসেবে ওই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন >> ভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির পার্থক্য কতটা?

মাইক পম্পেও আরও বলেন, ‘তাছাড়া আমি পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুরেশির সঙ্গেও কথা বলেছি। তাকে বলেছি, বর্তমানে যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তাতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নিয়ে তার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছি। পাকিস্তানকে ব্যবহার করে যেসব সন্ত্রাসী সংগঠন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে তাদের বিরুদ্ধে অর্থবহ পদক্ষেপ নেয়ারও আহ্বান জানিয়েছি।’

দুই দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাইক পম্পেও আরও বলেন, ‘আমি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে যেকোনো মূল্যে উত্তেজনা কমিয়ে সংযত হওয়ার কথা বলেছি। তাছাড়া আমি তাদেরকে আলোচনার টেবিলে বসে এসব সমস্যার সমাধানের পথ খোঁজার কথাও জানিয়েছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের আগেও ভারত-পাকিস্তান চলমান উত্তেজনা কমাতে সংযত হওয়ার আহ্বান জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য। তবে ওআইসি পাকিস্তানে হামলার নিন্দা জানাায়।

খবরটি শেয়ার করুন...
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Print this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি