তৃণমুলের আস্থার মধ্যমণি কারা নির্যাতিত নেতা এড. আব্দুস সামাদ মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে

পুঠিয়া প্রতিনিধি:

রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমুলে আস্থার মধ্যমণি অপারেশন ক্লিন হার্টে কারা নির্যাতিত নেতা এড. আব্দুল সামাদের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। পুঠিয়া -দুর্গাপুরের সাবেক এমপি এড. নাদিম মোস্তফার সরাসরি নিদের্শে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে মারাত্নক জখম করেন আব্দুস সামাদ মোল্লাহ। দিনরাত পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন পাড়া- মহল্লা ও বাজারে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছন তিনি।

এড. আব্দুস সামাদ পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে ১৯৯৮ সাল থেকে প্রায় ১৮ বছর থেকে সদস্য পদ থেকে দলকে সাংগঠনিকভাব শক্তিশালী করার কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। মানুষের যেকোন আপদে বিপদে আব্দুস সমাদের কোন জুড়ি নেই।
এড. আব্দুস সামাদপুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বানেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব অঅব্দুর রহমান মোল্লার সন্তান। এই পরিবারটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে পথ চলা অব্যাহত রেখেছেন।

জানা যায়, এড. আব্দুস সামাদ মোল্লাহ রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে বিএসসি সম্মান ও এলএলবি পাশ করেন। ১৯৮৪-১৯৮৬ সালে পুঠিয়া থানা ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৮৬-৮৮ সালে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১৯৮৮-১৯৯১ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠ চক্র সম্পাদক, ১৯৯১-১৯৯৩ সালে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৯৩-১৯৯৬ সালে রাজশাহী সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন।

এরপরে ২০০৩ -২০১৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী স্বে”ছাসেবক লীগের রাজশাহী জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক ও সাধারণ সম্পাদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমানে তিনি স্বে”ছাসেবক লীগের অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জামায়াত বিএনপির দুর্গে আব্দুস সামাদ মোল্লাহ চেয়ারম্যান পদে বিজয়ে হতবাক করেছিল বিএনপি জামায়াতকে।

শিক্ষানুরাগী হিসাবে ১৯৯৮-২০০২ পর্যন্ত বিড়ালদহ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে একই কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি আব্দুস সামাদ রাজশাহী জজকোর্টে আইনজীবি হিসাবে ২০০৯ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০২ সালের পহেলা মে জামায়াত বিএনপির আমলে  স্থানীয় সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফার সন্ত্রাসী বাহিনী জনপ্রিয় আব্দুল সামাদ মোল্লাহকে হত্যার উদ্দেশ্য গুরুতর মাথায় জখম করে । পরে ২০০২ সালের ১৮ জুন তারিখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনা আব্দুস সামাদ মোল্লাহকে দেখতে গিয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের দাবিদার এড. আব্দুস সামাদ মোল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে কোন চাওয়া পাওয়া নেই। দল আমাকে যোগ্য মনে করলে অবশ্যই মনোনয়ন পাব। আর মনোনয়ন পেলে দলকে অবশ্যই এ পরিষদের চেয়রম্যান পদটি আওয়ামী লীগের ঘরে তুলবো ইনশাল্লাহ।

খবরটি শেয়ার করুন...
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0Print this page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি